Translate

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০১৫

Stock Rom Backup রাখার নিয়ম


রুট করার পর সর্বপ্রথম যে কাজটি করণীয়

তা হল সেটের stock rom backup রাখা।

সেট ব্রিক করলে এই Backup file
দিয়ে আপনি আবার পূর্বের অবস্থায়
ফিরে আসতে পারবেন।

যা যা লাগবেঃ

১) Rooted ফোন

২) আপনার সেটের

৩)recovery. img file

অনেক recovery আছে
Twrm/CWM/COT/crt ইত্যাদি
তবে CWM recovery. img ভাল

Google থেকে আপনার সেট এর recover.img
ডাউনলোড করে নিন।

Google এ search করে ডাউনলোড করুন।

Google এ search করার নিয়ম- ধরেন
আপনার সেট Walton Primo Nx আপনি সার্চ করবেন CWM recovery.img for Walton primo Nx

৩) Mobile uncle tools. apps

কাজের ধারাঃ

১) এবার Recovery.img ফাইলটি Sdcardএরাখুন

(কোনো ফোল্ডার এ রাখবেন না)

২) এবার Mobile uncle tools apps টি install করুন

এবং ওপেন করুন।

৩) superuser permison

চাইবে grant > click

৪) recovery update > click

৫) আপনার recovery. img দেখতে পাবেন
recovery.img > click

৬) Then press > ok

আপনার ফোন এখন recovery mode on হবে।

এখন আপনাকে volume বাট দিয়ে select
করতে হবে এবং power বাটন দিয়ে কাজ
করতে হবে।

৭)backup & restore > চাপুন

৮) backup > চাপুন

এখন কিছুসময় অপেক্ষা করুন,

(৫- ১০) মিনিট লাগতে পারে।

কাজ হয়ে গেলে Reboot এর option আসবে

১০) Reboot > চাপুন কাজ শেষ>>>>>>

এখন আপনার ফোন on হবে।

এবং মেমোরি কার্ডে clockworkmod
নামে একটি folder পাবেন এটায় আপনার
backup file

(500mb- 2 Gb) হতে পারে।

তবে কোন aps install না করে backup
নিলে backup ফাইল ছোট হবে।

বিঃদ্রঃ মেমোরি কার্ডে পর্যাপ্ত
জায়গা রেখে, backup নিবেন।

এবং বেকাপ file টি সংরক্ষনন করে রাখুন।

সেট Brick করলে ঠিক করার উপায়ঃ

১) Brick কি?

উওরঃ যদি কোন কারনে আপনার ফোন on
না হয় অথ্যাৎ

আপনার সেটের লগু
পর্যন্ত এসেয় থেমে যায়,

তখন তাকে Brick বলে।

২) Brick করলে কি করবেন?

উওরঃ Recovery mode এ গিয়ে Backup flie Restore করবেন।

৩) কি ভাবে Restore করবেন?

উওরঃ

কাজের ধারাঃ

1) Battery খুলে আবার লাগান।

2) power বাটন & volume ( +) বাটন চেপে ধরে রাখুন

যতখন না recovery mode আসে।

3)backup & restore > চাপুন

4) restore > চাপুন

এখন আপনার backup file দেখতে পাবেন
তারিখ আকারে,

মানে আপনি যে তারিখে backup
নিয়ে ছিলেন, সে তারিখ কেবল
টা দেখতে পাবেন click করুন

yes > চাপুন

এবার অপেক্ষা করুন (৫- ১০) মিনিট।

কাজ হয়ে গেলে Reboot এর option আসবে

5) Reboot > চাপুন

কাজ শেষ>>>

সোমবার, ২ মার্চ, ২০১৫

ললিপপ লঞ্চার দিয়ে Android Lolipop এর মজা নিন


আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম একটি lolipop লঞ্চার। আপ্নার ফন দিয়ে এখন Android lolipop এর মজা নিন
download
http://www.appsapk.com/l-launcher-lollipop-launcher

অ্যাক্সেলেরোমিটার (Accelerometer) sensor এর কাজ


অ্যাক্সেলেরোমিটার (Accelerometer)
অ্যাক্সেলেরোমিটার একটি হার্ডওয়্যার বেইজড সেন্সর। মূলত এটি মাইক্রো মেকানিকাল ডিভাইস, যেটি কোন বস্তুর অবস্থান, গতি প্রকৃতি, কম্পন, ত্বরণ ইত্যাদি পরিমাপ করতে ব্যবহার করা হয়। অ্যাক্সেলেরোমিটার এর মাঝে বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে, যেমন: এক অক্ষ, দ্বি অক্ষ বা ত্রি অক্ষ বিশিষ্ট অ্যাক্সেলেরোমিটার।

অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর
অ্যাক্সেলেরোমিটারের এসব প্রকারভেদের মাঝে ত্রি অক্ষ বিশিষ্ট অ্যাক্সেলেরোমিটারই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। এটি খুব সহজেই ফোনের অরিয়েন্টেশন বুঝতে পারে। অর্থাৎ আপনার ফোনে অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর অন করে যদি আপনি আপনার ফোন কে কাৎ করে ‘ল্যান্ডস্কেপ’ অথবা ‘পোরট্রেইট’ করে ধরেন, তাহলে সেটি অনুযায়ী আপনার স্ক্রিনটি পরিবর্তিত হবে। অনেক সময় আমাদের ফোনের অরিয়েন্টেশন পরিবর্তন করার দরকার পরে। যেমন: ওয়েব ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা, গেইম খেলা, বই পড়া বা টেক্সট পাঠানো। এসব ক্ষেত্রে ‘পোরট্রেইট’ মোড এর চেয়ে ‘ল্যান্ডস্কেপ’ মোড ব্যবহার করা বেশী আরামদায়ক। অ্যাক্সেলেরোমিটারের কল্যাণেই আমরা সহজে মোড সুইচ করতে পারি।

অ্যাক্সেলেরোমিটারের আরও কিছু জনপ্রিয় ব্যবহার রয়েছে। যেমন: মিউজিক প্লেয়ার কন্ট্রোল করা (শেক টু চেঞ্জ), গেইমিং এর সময় কি প্রেস না করে শুধু টিল্ট করে কন্ট্রোল করা, কিংবা বাটন প্রেস না করে শুধু ফ্লিপ করে রিঙ্গার অফ করা (ফ্লিপ টু মিউট) ইত্যাদি। মোট কথা, অ্যাক্সেলেরোমিটার আমাদের ফোনের অরিয়েন্টেশন কে বুঝতে পারে এবং সেটি পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন অরিয়েন্টেশনের সাথে ফোন কে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে।

Rooted Android ফোন দিয়ে গেম হ্যাক করুন


রুটেড এন্ড্রয়েড দিয়ে গেম হ্যাক
করুন
Android মোবাইল এ আমরা গেমস
খেলতে কে না পছন্দ করি,কিন্তু unlimited
coin
দিয়ে গেমস খেলার মজাই আলাদা,unlimited
coin দিয়ে নিজের মনের মত সব আইটেম
কিনতে পারবেন যেটা গেমস খেলার
মজা দিগুন বারিয়ে দেয়।।বিভিন্ন সাইট
এ এখন
Mod apk পাওয়া যায়,যেটা দিয়ে unlimited
coin পাবেন,আবার কিছু কিছু গেমস এর MOD
APK পাওয়া যাই না তখন নিচের
প্রক্রিয়াটির
মাধ্যমে আপনি unlimited coin হ্যাক
করতে পারবেন।
তো শুরু করা যাক-
যা যা প্রয়োজনঃ
১। মোবাইল টি অবশ্যই Rooted
থাকতে হবে।
২। Game Hacker Application
http://bdworld29.tk/software/view/28089397
পদ্ধতিঃ
১।উপরের লিংক থেকে Game Hacker
Appটি ডাউনলোড করে Install করুন।
২। Game Hacker Open করুন এবং Root
Permission চাইলে Grand বা Allow করুন।
এরপর
Game Hacker সঠিকভাবে Open করে, Game
Hacker এ্যাপের মিনিমাইজ বাটনে ক্লিক
করে Game Hacker মিনিমাইজ করুন।
মিনিমাইজ করলে Settings আইকনের
মতো একটি আইকন
স্ক্রিনে দেখতে পাবেন।
৩।এবার যে গেমটি হ্যাক করতে চান, সেই
গেমটি Open করুন। গেমটি কিছু সময়
খেলে কিছু Money/Coin/Dollar/Xp
ইত্যাদি আয়
করুন।
৪।এবার গেমের স্টোরে যান, মানে যেখান
থেকে গেমের আইটেম কিনতে হয়
সেখানে যান। এবং আপনি যে টাকা আয়
করেছেন সেটা ভালো করে দেখে নিন।
৫।এবার Game Hacker এর সেই
আইকনে ক্লিক
করুন। একটি বক্স আসবে, সেখানে আপনার
গেমের যে টাকা আপনি আয় করেছেন
সেটা লিখে Search এ ক্লিক করুন।
৬।একটা Result দেখাবে। এরকম Find Out
******** Result.... এবার Okতে ক্লিক
করুন।
এতে Game Hacker আবার মিনিমাইজ
হয়ে যাবে।
৭।এবার গেমের স্টোর থেকে কিছু
একটা কিনুন
বা আপগ্রেড করুন। কেনার
পরে বা আপগ্রেড
করার পরে, আপনার গেমে আর কত
টাকা থাকলো তা দেখে নিন।
৮।এবার আবার Game Hacker এর
আইকনে ক্লিক
করুন। এবং সেই বক্সে আপনার গেমের
যে টাকাটা বাকি রয়েছে সেটা লিখে Search
এ ক্লিক করুন।
৯।এবার এক থেকে তিনটির মতো Find Out
Search Result পাবেন। সেগুলোকে Lock
আইকনে ক্লিক করে Lock করুন।
এবং তারপর
খালি বক্সে 999999999 লিখে Modify
বাটনে ক্লিক করুন। এবং Continue
তে ক্লিক
করে Game Hacker মিনিমাইজ করুন।
১০।এবার গেমের স্টোরে গিয়ে দেখুন,
আপনার
গেমের Money/Coin/Dollar বেড়ে 999999999
হয়ে গেছে। এবার এই টাকা আসলেই কাজ
করে কিনা দেখার জন্য গেমের আইটেম
কিনুন
বা আপগ্রেড করুন। দেখবেন কাজ হচ্ছে

Android থেকে pc তে নেট শেয়ার করুন


অ্যান্ড্রয়েড-চালিত স্মার্টফোনের
অন্যতম সুবিধা হচ্ছে এই যে, এটি কেবল
কথা বলার ও ইন্টারনেট ব্রাউজ করার
ডিভাইসই নয়। কল্পনার অনেক কিছুই
করা সম্ভব এইসব স্মার্টফোন দিয়ে। আর
মোবাইলের ইন্টারনেট সংযোগ
কম্পিউটারে শেয়ার করার
সুবিধা তো অনেক আগেই ফিচার ফোন
থেকেই চলে আসছে। তাই অ্যান্ড্রয়েড
ফোন থেকে ইন্টারনেট সংযোগ
কম্পিউটারে শেয়ার করা কেবল সম্ভবই
নয়, বরং পানির মতো সহজ। চলুন
দেখে আসি কীভাবে তা করতে হয়।
প্রথমে অবশ্যই আপনার মোবাইল
সেটে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে।
এটি পরীক্ষা করার জন্য মোবাইলের
ব্রাউজার থেকে কোনো ওয়েবসাইট
ভিজিট করার
চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
যদি ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যায়,
তবেই কেবল আপনি তা শেয়ার
করতে পারবেন।
ইউএসবি ডেটা ক্যাবলটি কম্পিউটার ও
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগ
দিন। সাধারণত ইউএসবি ডিভাইস
সংযোগ দেয়ার পর
মেমোরি কার্ডটি স্টোরেজ
হিসেবে কানেক্ট হয়ে থাকে। যদিও
এতে আপনার কাজে সমস্যা হবে না,
কিন্তু ভালো হয়
মেমোরি কার্ডটি পিসি থেকে Safely
remove করে ফেললে। অর্থাৎ, টাস্কবার
থেকে ইউএসবি আইকনে রাইট ক্লিক
করে মেমোরি স্টোরেজটি সেফলি
রিমুভ করার কমান্ড দিন। এটা পেনড্রাইভ
খুলে ফেলার আগে সতর্কতার জন্য
যা করা হয় ঠিক তাই।
এবার হচ্ছে আসল কাজ। আপনার
ডিভাইসের সেটিংস-এ যান। সাধারণত
হোমস্ক্রিন থেকে মেনু বাটনে প্রেস
করলে সেটিংস অপশনটি আসে। এবার
সেটিংস থেকে Wireless & networks ->
Tethering & portable hotspot এ ক্লিক করুন।
সাধারণ অবস্থায়
ইউএসবি টেথারিং অপশনটি আনচেকড
থাকবে। কিন্তু ইউএসবি কম্পিউটারের
সঙ্গে সংযোগ দেয়ার পর এতে ক্লিক
করা যাবে, এর আগ পর্যন্ত
চেকবক্সটি কাজ করবে না। এই
চেকবক্সে টিক দিয়ে দিলেই
স্ট্যাটাসবার/নোটিফিকেশন
বারে ইউএসবি টেথারিং-এর
আইকনটি চলে আসবে (ছবিতে দেখা
যাচ্ছে)।
এই আইকনটি আসার কয়েক মিনিটের
মধ্যেই আপনার কম্পিউটার ইন্টারনেটের
সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যাবে। আর
কোনো বাড়তি সেটিংসের
ঝামেলা ছাড়াই কম্পিউটার
থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার
করতে পারবেন।
এই পদ্ধতি ব্যবহার করে উইন্ডোজ ৭
এবং লিনাক্সমিন্ট ১২ এই দুই
অপারেটিং সিস্টেমে কোনো বাড়তি
সেটিংস বা কনফিগার করা ছাড়াই
ইন্টারনেট ব্যবহার করা গেছে। উল্লেখ্য,
টেথারিং করার সময় কম্পিউটারের
অন্যান্য ইন্টারনেট সংযোগ (যেমন
ইউএসবি মডেম বা ল্যান ইন্টারনেট) বন্ধ
রাখা হয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড-চালিত স্মার্টফোনেরঅন্যতম সুবিধা হচ্ছে এই যে, এটি কেবলকথা বলার ও ইন্টারনেট ব্রাউজ করারডিভাইসই নয়। কল্পনার অনেক কিছুইকরা সম্ভব এইসব স্মার্টফোন দিয়ে। আরমোবাইলের ইন্টারনেট সংযোগকম্পিউটারে শেয়ার করারসুবিধা তো অনেক আগেই ফিচার ফোনথেকেই চলে আসছে। তাই অ্যান্ড্রয়েডফোন থেকে ইন্টারনেট সংযোগকম্পিউটারে শেয়ার করা কেবল সম্ভবইনয়, বরং পানির মতো সহজ। চলুনদেখে আসি কীভাবে তা করতে হয়।প্রথমে অবশ্যই আপনার মোবাইলসেটে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে।এটি পরীক্ষা করার জন্য মোবাইলেরব্রাউজার থেকে কোনো ওয়েবসাইটভিজিট করারচেষ্টা করে দেখতে পারেন।যদি ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যায়,তবেই কেবল আপনি তা শেয়ারকরতে পারবেন।ইউএসবি ডেটা ক্যাবলটি কম্পিউটার ওঅ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগদিন। সাধারণত ইউএসবি ডিভাইসসংযোগ দেয়ার পরমেমোরি কার্ডটি স্টোরেজহিসেবে কানেক্ট হয়ে থাকে। যদিওএতে আপনার কাজে সমস্যা হবে না,কিন্তু ভালো হয়মেমোরি কার্ডটি পিসি থেকে Safelyremove করে ফেললে। অর্থাৎ, টাস্কবারথেকে ইউএসবি আইকনে রাইট ক্লিককরে মেমোরি স্টোরেজটি সেফলিরিমুভ করার কমান্ড দিন। এটা পেনড্রাইভখুলে ফেলার আগে সতর্কতার জন্যযা করা হয় ঠিক তাই।এবার হচ্ছে আসল কাজ। আপনারডিভাইসের সেটিংস-এ যান। সাধারণতহোমস্ক্রিন থেকে মেনু বাটনে প্রেসকরলে সেটিংস অপশনটি আসে। এবারসেটিংস থেকে Wireless & networks ->Tethering & portable hotspot এ ক্লিক করুন।সাধারণ অবস্থায়ইউএসবি টেথারিং অপশনটি আনচেকডথাকবে। কিন্তু ইউএসবি কম্পিউটারেরসঙ্গে সংযোগ দেয়ার পর এতে ক্লিককরা যাবে, এর আগ পর্যন্তচেকবক্সটি কাজ করবে না। এইচেকবক্সে টিক দিয়ে দিলেইস্ট্যাটাসবার/নোটিফিকেশনবারে ইউএসবি টেথারিং-এরআইকনটি চলে আসবে (ছবিতে দেখাযাচ্ছে)।এই আইকনটি আসার কয়েক মিনিটেরমধ্যেই আপনার কম্পিউটার ইন্টারনেটেরসঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যাবে। আরকোনো বাড়তি সেটিংসেরঝামেলা ছাড়াই কম্পিউটারথেকে ইন্টারনেট ব্যবহারকরতে পারবেন।এই পদ্ধতি ব্যবহার করে উইন্ডোজ ৭এবং লিনাক্সমিন্ট ১২ এই দুইঅপারেটিং সিস্টেমে কোনো বাড়তিসেটিংস বা কনফিগার করা ছাড়াইইন্টারনেট ব্যবহার করা গেছে। উল্লেখ্য,টেথারিং করার সময় কম্পিউটারেরঅন্যান্য ইন্টারনেট সংযোগ (যেমনইউএসবি মডেম বা ল্যান ইন্টারনেট) বন্ধরাখা হয়েছে।

রবিবার, ১ মার্চ, ২০১৫

ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর উপায়


ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর উপায়
আজকাল ইন্টারনেট ছাড়া চলা দায়৷
কিন্তু মোবাইলে ইন্টারনেট করতে
গেলেই অনেকে স্লো ইন্টারনেট
স্পিডের কথা বলেন৷ কিন্তু মোবাইলে
ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর জন্য
কয়েকটি পদ্ধতি নিলে খুব সহজেই
ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো যায়৷ স্পিড
বাড়ানোর উপায় বাতলে দেয়া হলো-
১৷ মোবাইলের অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো
আনইনস্টল করুন৷
২৷ আপনার মোবাইলের স্টোরেজের
অপ্রয়োজনীয় ডেটা ডিলিট করুন৷
স্টোরেজ বাড়ার সাথে সাথে
আপনার ইন্টারনেটের স্পিডও বাড়বে৷
৩৷ মোবাইলের ‘ক্যাশড ডেটা’ কিয়ার
করুন৷কারণ এগুলো শুধু মোবাইলের
জায়গায় নস্ট করে না বরং আপনার
মোবাইলের বিভিন্ন অ্যাপকেও স্লো
করে দেয়৷
৪৷ আপনার এসডি কার্ড এর দিকেও
খেয়াল রাখুন৷পারলে হাইস্পিড এসডি
কার্ড ব্যবহার করুন৷ আপনি যদি স্লো
এসডি কার্ড ব্যবহার করেন তাহলে তা
আপনার মোবাইলের ডাউনলোড
স্পিডকেও স্লো করে দেবে৷
৫৷ সবশেষে আপনার মোবাইলের
অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করতে
অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে পারেন৷
যা আপনার মোবাইলের স্পিডকে
বাড়াবে৷